হট ভয়েস

সকল সিম নিবন্ধন করার সহজ পদ্ধতি

পুনরায় মোবাইল সিমকার্ড নিবন্ধন নিশ্চিত করতে গ্রাহকদের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ। সিম নিবন্ধিত কিনা বা সঠিকভাবে নিবন্ধন করা হয়েছে কিনা গ্রাহকরা তা ঘরে বসেই যাচাই করে নিতে পারবেন।

ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ জানিয়েছে, গ্রাহকরা তাদের মোবাইল থেকে এসএমএস করে অথবা মোবাইল অপারেটরের ওয়েবসাইটে গিয়ে সিম নিবন্ধনের তথ্য যাচাই করতে পারবেন। ২০১২ সালের পর কেনা সিমের ক্ষেত্রে গ্রাহকরা নিজেরাই উদ্যোগী হয়ে তথ্য পাঠিয়ে নিবন্ধনের সঠিকতা যাচাই করতে পারবেন।

সিম নিবন্ধনের সঠিকতা যাচাইয়ের পদ্ধতি হলো, গ্রামীণফোন, বাংলালিংক, রবি, এয়ারটেল ও টেলিটকের গ্রাহকরা মোবাইলের এসএমএস অপশনে গিয়ে ইংরেজিতে জাতীয় পরিচয়পত্রের নম্বর, জাতীয় পরিচয়পত্র অনুযায়ী জন্ম তারিখ, পূর্ণনাম লিখে 1600 নম্বরে পাঠাতে হবে।
সিটিসেলের গ্রাহকরা মোবাইলের এসএমএস অপশনে গিয়ে ইংরেজিতে U লিখে স্পেস দিয়ে জাতীয় পরিচয়পত্রের নম্বর, জাতীয় পরিচয়পত্র অনুযায়ী জন্ম তারিখ, পূর্ণনাম লিখে 1600 নম্বরে পাঠাতে হবে।

ফিরতি এসএমএসে (request has been accepted, Thank you for the information)লেখা মেসেজ আসবে। এসএমএস পাঠানোর জন্য মোবাইল অপারেটরেরা কোনো টাকা কাটবে না ।

২০১২ সালের আগে কেনা মোবাইল সিমের বিপরীতে বিভিন্ন তথ্য (জাতীয় পরিচয় পত্রের নম্বর, বাবা মায়ের নাম ইত্যাদি) চেয়ে ১৫ অক্টোবর থেকে সংশ্লিষ্ট গ্রাহকের মোবাইলে এসএমএস পাঠানো শুরু করেছে অপারেটরগণ। যা ১৫ নভেম্বর পর্যন্ত চলবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সঠিকভাবে সিমের নিবন্ধন করা না হলে ওই সিম বন্ধ করে দেয়া হবে বলে জানিয়েছে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ।

পরবর্তী সময়ে কোনো গ্রাহক যদি প্রয়োজনীয় এবং উপযুক্ত কাগজপত্র দেখাতে পারেন, তাহলে বন্ধ সিম চালু করার বিষয় বিবেচনা করা হবে।

১ নভেম্বর থেকে সকল মোবাইল অপারেটর সার্ভিস সেন্টার বা কাস্টমার কেয়ারে বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে সিম নিবন্ধন চালু করবে। ১৬ ডিসেম্বর থেকে বায়োমেট্রিকস পদ্ধতিতে সারাদেশে নিবন্ধন কার্যক্রম শুরু হবে।

১৮ বছরের নিচে কারো কাছে সিম বিক্রয় করা যাবে না। তাদের সিম থাকলেও নিবন্ধন করা যাবে না। ১৮ বছর নিচের বয়সীদের জন্য তাদের অভিভাবকদের নামে সিম নিবন্ধন করতে হবে।

পেন ড্রাইভ বুটাবেল(Bootable Pendrive) করার সহজ পদ্ধতি, কোন প্রকার সফটওয়্যার ছাড়াই!

কি করে কোন প্রকার সফটওয়্যার ছাড়াই একটি পেন ড্রাইভকে খুব সহজে বুটাবেল করা যায়।

প্রথমে আপনার পেন ড্রাইভটিকে কম্পিউটার-এর সাথে যুক্ত করুন। তারপর RUN মুড- যান।
Run মুডে যাওয়ার জন্য নিচের চিত্রে দেওয়া বাটন গুলো চাপুন।



এখন রান মুডে cmd লিখে Enter বাটন চাপুন।

নিচের ছবির মত দেখাবে।"diskpart" লিখে Enter চাপুন।

তারপর যে উইন্ডোটা আসবে সেখানে লিখুন "list disk" এবং এন্টার চাপুন।

এখন দুটো ডিস্ক দেখাবে। আপনি ডিস্ক ১ টি সিলেক্ট করবেন। ডিস্ক ১ সিলেক্ট করার জন্য আপনাকে লিখতে হবে "select disk 1" এবং এন্টার চাপতে হবে।

এখন আপনার পেন ড্রাইভটি সিলেক্ট অবস্থায় আছে। এবার আপনাকে লিখতে হবে "clean"
তারপর এন্টার চাপতে হবে।

ক্লিন করার পর আপনাকে প্রাইমারি পার্টিশন তৈরি করতে হবে। তার জন্য আপনাকে লিখতে হবে "create partition primary" তারপর এন্টার চাপলে আপনার পার্টিশন তৈরি হয়ে যাবে।

এবার আপনি পার্টিশনটি সিলেক্ট করুন এভাবে "select partition 1" এন্টার বাটন চাপুন।

পার্টিশটি সিলেক্ট করার পর পার্টিশনটি ফরম্যাট করতে হবে। তার জন্য এই লাইনটি লিখতে হবে "format=fs ntfs quick" এবং এন্টার কী চাপতে হবে।

ফরম্যাট হতে কিছু সময় নিবে। ফরম্যাট হওয়ার পর "active" কথাটি লিখে এন্টার চাপতে হবে।

আপনার পেন ড্রাইভটি বুটাবেল হয়ে যাবে। 
Active করার পর "exit" লিখে CMD মুড থেকে বেরিয়ে আসবেন। 

এবার আপনার পছন্দের উইন্ডোজটির সেট আপ ফাইল বা অন্য কোনো ফাইল কপি করে আপনার বুটাবেল করা পেন ড্রাইভ-এ পেস্ট করে দিন।
তাহলে তা বুটাবেল হিসেবে কাজ করবে। 

বিজ্ঞানীরা বলছেন হাতির কেন ক্যান্সার হয় না


বিজ্ঞানীরা বলছেন হাতির কেন ক্যান্সার হয় না, এটি তারা আবিষ্কার করতে সক্ষম হয়েছেন।
তাদের তথ্য অনুযায়ী হাতির বিশাল দেহে থাকা বাড়তি জিনের কারণেই প্রাণঘাতী রোগটি টিকিটিও ছুঁতে পারেনা হাতির।

তবে ক্যান্সারের চেয়ে বরং হাতির আকার এবং দীর্ঘায়ূ এ প্রাণিটির জন্যে বেশি ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে।
আমেরিকান মেডিকেল এসোসিয়েশনে প্রকাশিত একটি মার্কিন গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে পি-৫৩ নামের একটি বাড়তি জিনের কারণেই হাতির শরীরে ক্যান্সার দানা বাঁধার সুযোগ পায়না।

মানুষের শরীরে এ ধরনের জিনের যে সংখ্যায় রয়েছে হাতির শরীরে রয়েছে তার দ্বিগুণ।
আর এ বাড়তি জিনই হাতিকে সুরক্ষা দেয় ক্যান্সারের জীবাণু থেকে।
এটির কারণে ক্যান্সার সেলগুলো বিপজ্জনক টিউমারে পরিণত হওয়ার আগেই নিজেই ধ্বংস হয়ে যায়।

অ্যারিজোনা ভিত্তিক গবেষকরা আশা করছেন এবারের গবেষণার ফলটি মানবদেহের ক্যান্সার প্রতিরোধের ক্ষেত্রেও ভূমিকা রাখতে পারে।

ঘরে বসে অনলাইনে আয় করতে চান? অনলাইন ফ্রিল্যান্সিং/আউটসোর্সিং কি?


>>অনলাইন ফ্রিল্যান্সিং/আউটসোর্সিং কি?
বর্তমানে বাংলাদেশের আইটি সেক্টরের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও আলোচিত বিষয় হচ্ছে ফ্রিল্যান্সিং। ফ্রিল্যান্সিং হচ্ছে বিলিয়ন ডলারের একটি আইটি বাজার।

যেখানে উন্নত দেশগুলো কাজের মূল্য কমানোর জন্য আউটসোর্সিং করে থাকে। ফ্রিল্যান্সিং কাজের মধ্যে রয়েছে, গ্রাফিক্স ডিজাইন, ওয়েব ডিজাইন, এসইও, এনিমেশন, ভিডিও এডিটিং, প্রোগ্রামিং এমনকি ডাটা এন্ট্রির মত সাধারণ কাজ।

মূলতঃ ইচ্ছামত যে কোন সময়, যে কোন স্থানে বসে কাজ করার সুবিধা থাকায় যে কেও আউটসোর্সিং করে আয় করতে পারে। একজন ছাত্র তার পড়াশোনার পাশাপাশি, একজন চাকুরিজীবি তার চাকুরির পাশাপাশি, এমনকি একজন গৃহিনীও ফ্রিল্যান্সিং করে প্রচুর অর্থ উপার্জন করতে পারে।

ফ্রিল্যান্সিং সার্ভিস দেয়ার জন্য অনেক নির্ভরযোগ্য সাইট রয়েছে। যাদেরকে ফ্রিল্যান্সিং-মার্কেটপ্লেস বলা হয়। এসব সাইটে যারা কাজ জমা দেয়, তাদেরকে বলা হয় বায়ার এবং যারা কাজটি করে দেয় তাদেরকে বলে Freelancer. একটি কাজের জন্য অনেক ফ্রিল্যান্সার bid বা আবেদন করে। কাজটি কে কত ডলারে করতে পারবে তা উল্লেখ করে। এদের মধ্যে হতে ক্লায়েন্ট এক বা একাধিক ফ্রিল্যান্সারকে নির্বাচিত করেন। সাধারণত পূর্ব কাজের অভিজ্ঞতা, টাকার পরিমাণ, পূর্ববর্তী কাজের sample কাজ পেতে সাহায্য করে।

>> অনলাইন মার্কেটপ্লেসসমূহের নাম
বিশ্বের সর্ববৃহৎ আউটসোর্সিং মার্কেটপ্লেসগুলো হচ্ছে:
১. আপওয়ার্ক.কম (ওডেস্ক)
২. ইল্যান্স.কম
৩. ফাইভার.কম
৪. গ্রাফিকরিভার.নেট
৫. থিমফরেষ্ট.নেট
৬. পিপলপারআওয়ার.কম
৭. ফ্রিল্যান্সার.কম

>> নুতনরা কোন মার্কেটপ্লেসে দ্রুত কাজ পাবেন?
আপওয়ার্ক (ওডেস্ক) সবচেয়ে বড় প্লাটফর্ম সহজে কাজ পাওয়ার জন্য, কারণ প্রতি মূহুর্তে এ সাইটে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বায়াররা কাজ পোষ্ট করছে। চমৎকার একটি প্রোফাইল ও বিশেষ কাজের দক্ষতা থাকলে নুতনরা সহজে এ সাইটে কাজ করে উপার্জন করতে পারেন। এছাড়া, ফাইভার একটি ভিন্নধারার বিখ্যাত জনপ্রিয় ফ্রিল্যান্সিং সাইট যেখানে নুতনরা সহজে ও দ্রুত কাজ পেতে পারেন।

>> পেমেন্ট পদ্ধতি:
পেওনিয়ার ডেবিট মাষ্টার কার্ড, ব্যাংকওয়্যার ট্রান্সফার, মানিবুকার্স ইত্যাদি বিভিন্ন মাধ্যমে খুব সহজেই উপার্জিত অর্থ বাংলাদেশে নিয়ে আসা যায়।

>> নুতনরা কি শিখলে দ্রুত আয় করতে পারবেন:
আউটসোর্সিং মার্কেটপ্লেসে নুতন ফ্রিল্যান্সাররা অনেক সময় দ্বিধাদ্বন্দ্বে পড়ে যান কিভাবে শুরু করবেন, কোন কাজ শিখলে দ্রুত আয় করতে পারবেন ইত্যাদি বিষয়। নুতনদের জন্য সহজেই যেসব কাজ পাওয়া যায় তা হচ্ছে-ডাটা এন্ট্রি (ওয়ার্ড/এক্সেলে), গ্রাফিক্স ডিজাইন (ফটো এডিটিং), এসইও, ইমেইল মার্কেটিং, স্যোসাল মিডিয়া মার্কেটিং, ওয়েব সাইটে ডাটা/ইমেজ পোষ্টিং ইত্যাদি।

> আর হ্যাঁ, অনলাইন ফ্রিল্যান্স মার্কেটপ্লেসে যারা দীর্ঘমেয়াদে ক্যারিয়ার গড়তে চান, ভালো মানের উপার্জন করতে চান তাদের জন্য বিশেষ কোর্স গাইডলাইন হচ্ছে ”ওয়েব ডিজাইন ও ডেভেলপমেন্ট”

:: ওয়েব ডিজাইন ও ডেভেলপমেন্টে পরিপূর্ণ দক্ষ হতে যা শিখতে হবেঃ
> Html, CSS, CSS3 , Javascript, Jquery, Responsive
> Php/mysql
> Php Codeigniter
> Wordpress
> Wordpress theme Development
> Joomla

ওয়েব ডিজাইন ও ডেভেলপমেন্টের সাথে রিলেটেড ২টা কোর্স যা অপরিহার্যঃ
১. গ্রাফিক্স ডিজাইন
২. SEO (Search Engine optimization)

হ্যাকিং নিয়ে মার্কিন শীর্ষপর্যায়ে সতর্কতা

সাইবার আক্রমণের মাত্রা প্রতিনিয়ত বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং ভবিষ্যত বিপর্যয় এড়ানোর লক্ষ্যে এ নিয়ে আন্তর্জাতিক মৌলিক নীতিমালা প্রণয়নের সময় চলে এসেছে -মঙ্গলবার এমন সতর্কবার্তাই জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা বিভাগের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা।


এক প্রতিবেদনে সংবাদসংস্থা সিএনএন জানিয়েছে, সাইবার আক্রমণে বর্তমানে বিভিন্ন দেশের সরকারের নিয়োগকৃত পেশাদার হ্যাকাররাই প্রধান ভূমিকা পালন করছেন।

সম্প্রতি ওই সতর্কবার্তায় যুক্তরাষ্ট্রের সিনেট আর্মড সার্ভিসেস কমিটিকে দেশটির গোয়েন্দা বিভাগের পরিচালক জেমস ক্ল্যাপার বলেছেন, “যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় ও অর্থনৈতিক নিরাপত্তা যে সাইবার হুমকির সম্মুখীন তা ক্রমশ সংখ্যার দিক থেকে, আওতার দিক থেকে এবং নানাবিধ মাত্রায় বেড়েই চলছে।”
বিশ্বের দেশগুলো বর্তমানে ঠিক কোন ধরনের সাইবার আক্রমণ ও ঝুঁকির মুখে রয়েছে, সে বিষয়ে কোনো রাষ্ট্রেরই পরিষ্কার ধারণা নেই। এছাড়া সাইবার বিশেষজ্ঞরা ‘কর্পোরেট এসপিওনাজ’ ধরনের সাইবার আক্রমণের ব্যাপারেও চিন্তিত বলে জানিয়েছে সিএনএন।

কর্পোরেট এসপিওনাজের সঙ্গে সম্পৃক্ত সাইবার আক্রমণের পরবর্তী ধাপ ‘ডেটা বিকৃতি’ হতে পারে বলে ধারণা করছেন সাইবার বিশেষজ্ঞরা। সিএনএনের তথ্য অনুসারে, ডেটা বিকৃতির মাধ্যমে ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থেকে অর্থ হাতিয়ে, সেখানে সহজেই ভুয়া ডিজিট বসিয়ে অ্যাকাউন্টধারীদের বিভ্রান্ত করতে পারবেন হ্যাকাররা। এ ধরনের আক্রমণ হলে ব্যাংকের উপর থেকে গ্রাহকরা বিশ্বাস হারাতে পারেন এমন আশঙ্কাই করছেন নিরাপত্তা গবেষকরা।

এরপর ডেটা বিকৃতি হবার আশঙ্কা রয়েছে বলেও সতর্কবার্তা জানিয়েছেন ক্ল্যাপার।

নিজের লোকেশন জানুন সবচেয়ে সহজ পদ্ধতিতে , বাংলালিংক সিমের সাহায্যে।


আপনারা সবাই জানেন যে , যেকোনো মোবাইল কোম্পানির সিম থেকে নিজের লোকেশন জানতে চাইলে নির্দিষ্ট সার্ভিসে নির্ধারিত সাবসক্রিপশন ফি পরিশোধ করে তারপর নির্দিষ্ট কীওয়ার্ড লিখে ম্যাসেজ সেন্ড করলে তবেই জানতে পারবেন যে নিকটবর্তী কোন নেটওয়ার্কের আন্ডারে আপনি অবস্থান করছেন।

তবে অ্যান্ড্রয়েড ফোনের ক্ষেত্রে আলাদা, এখান থেকে খুব সহজেই লোকেশন নির্ণয় করা যায়। ডাটা কানেকশন ও লোকেশন সার্ভিস অন রেখে ম্যাপ বা আর্থ ব্যবহার করে।

আমি এখন জানাবো যেকোনো সাধারন মোবাইল থেকে কিভাবে ফ্রী তে নিজের লোকেশন পাওয়া যাবে এই বিষয়ে।
এইজন্য প্রয়োজন একটি বাংলালিংক সিম।
বাংলালিংক সংযোগ থেকে ডায়াল করবেন *321# নাম্বারে।

এরপর প্রথমে Registration করবেন।
কমপ্লিট হলে *321*2# ডায়াল করে আপনার ব্যবহৃত অন্য একটি নাম্বার দিন (যে কোনো অপারেটরের), যে নাম্বারে লোকেশনের ম্যাসেজ টি নিবেন। এরপর বাংলালিংক সংযোগ টি থেকে ডায়াল করবেন *321*5#, তাহলেই আপনার দেওয়া অপর নাম্বারটিতে একটি হেল্প রিকোয়েস্ট চেয়ে একটি ম্যাসেজ যাবে বাংলালিংক নাম্বারটি থেকে। সেই ম্যাসেজে নম্বরটির লোকেশনও উল্লেখ করা থাকবে।
এবং পুরো সার্ভিস টি একদম ফ্রী!!!
এই সার্ভিস টি “ইমার্জেন্সি ” সার্ভিস নামে আখ্যায়িত।

আপনি চাইলে একাধিক নাম্বার যোগ করতে পারবেন।
ইচ্ছা করলে কোনো নাম্বার ডিলিট বা পরিবর্তনও করতে পারবেন। সকল কিছুর জন্য শুধু ডায়াল করবেন *321# নাম্বারে।
এইভাবে আপনি ফ্রী তে আপনার লোকেশন জানতে পারবেন।

কম্পিউটারের Keyboard এর F 1 হতে F 12 এর সব কি এর ব্যবহার গুলো জেনে নিন ।

F1 থেকে F12 পর্যন্ত
যে এক ডজন কি আছে সেগুলোকেফাংশন কি বলা হয় । এখন আসুন জেনে নেয় এই কী গুলোর কাজ কি।


 F1 : সহায়তাকারী কি হিসেবেব্যবহূত হয়। F1 চাপলে প্রতিটি প্রোগ্রামের‘হেল্প’ চলে আসে।

F2 : সাধারণত কোনো ফাইল বাফোল্ডারের নাম বদলের (রিনেম) জন্য ব্যবহূত হয়। Alt+Ctrl+F2 চেপে
মাইক্রোসফট ওয়ার্ডের নতুন ফাইল খোলা হয়। Ctrl+F2 চেপে ওয়ার্ডে প্রিন্ট প্রিভিউ
দেখা যায়।

F3: এটি চাপলে মাইক্রোসফট উইন্ডোজসহ অনেক প্রোগ্রামের
সার্চ সুবিধা চালু হয়। Shift+F3 চেপেওয়ার্ডের লেখা বড় হাতের থেকে ছোট হাতের বা প্রত্যেক শব্দের প্রথম অক্ষর বড় হাতের বর্ণ দিয়ে শুরু
ইত্যাদি কাজ করা হয়।

F4 : ওয়ার্ডের last action performed
আবার (Repeat) করা যায় এ কি চেপে। Alt+F4
চেপে সক্রিয় সব প্রোগ্রাম বন্ধকরা হয়। Ctrl+F4 চেপে সক্রিয় সব উইন্ডো বন্ধ
করা হয়।

F5 : মাইক্রোসফট উইন্ডোজ,
ইন্টারনেট ব্রাউজার ইত্যাদি Refresh করা হয়
F5 চেপে। পাওয়ার পয়েন্টের স্লাইড
শো শুরু করা যায়। ওয়ার্ডের find, replace,
go to উইন্ডো খোলা হয়।

F6 : এটা দিয়ে মাউস কারসারকে
ওয়েব ব্রাউজারের ঠিকানা লেখার জায়গায় (অ্যাড্রেসবার) নিয়ে যাওয়া হয়। Ctrl+Shift+F6 চেপে
ওয়ার্ডে খোলা অন্য ডকুমেন্টটি সক্রিয় করা
হয়।

F7 : ওয়ার্ডে লেখার বানান ও
ব্যাকরণ ঠিক করা হয় এ কি চেপে।ফায়ারফক্সের Caret browsing চালু
করা যায়। Shift+F7 চেপে ওয়ার্ডে
কোনো নির্বাচিত শব্দের প্রতিশব্দ,
বিপরীত শব্দ, শব্দের ধরন ইত্যাদি জানারঅভিধান চালু করা হয়।

F8 : অপারেটিং সিস্টেম চালু
হওয়ার সময় কাজে লাগে এই কি। সাধারণ উইন্ডোজ Safe Mode-এ চালাতে এটি চাপতে হয়।

F9 : কোয়ার্ক এক্সপ্রেস ৫.০-এরমেজারমেন্ট টুলবার খোলা যায় এই
কি দিয়ে।

F10 : ওয়েব ব্রাউজার বা কোনোখোলা উইন্ডোর মেনুবার নির্বাচন
করা হয় এ কি চেপে। Shift+F10 চেপে
কোনো নির্বাচিত লেখা বা সংযুক্তি,লিংক বা ছবির ওপর মাউস রেখে
ডান বাটনে ক্লিক করার কাজ করা হয়।

F11: ওয়েব ব্রাউজার পর্দাজুড়েদেখা যায় ।

F12 : ওয়ার্ডের Save as উইন্ডোখোলা হয় এ কি চেপে। Shift+F12 চেপেমাইক্রোসফট ওয়ার্ডের ফাইল সেভ করা হয়।এবং Ctrl+Shift+F12 চেপে ওয়ার্ড ফাইল প্রিন্ট করা হয়।

আশা করি এই তথ্য গুলো আপনাদের অনেক কাজে আসবে।

Google Map এ যুক্ত করুন আপনার এলাকার স্থাপনা/রাস্তা

দীর্ঘ সময় ধরে বন্ধ থাকার পর বাংলাদেশসহ ছয়টি দেশে আবার চালু হয়েছে গুগল ম্যাপ মেকার কার্যক্রম। ফলে আবার গুগল মানচিত্রে অবদান রাখতে পারবেন আগ্রহীরা। পুনর্বার চালুর সময় মানচিত্র সম্পাদনা, যোগ করার ক্ষেত্রে যুক্ত হয়েছে বেশ কিছু পরিবর্তনও। সম্পাদনাটি সহজ এবং সঠিক করতে প্রতিটি দেশে আঞ্চলিক দায়িত্বপ্রাপ্তদের (রিজিওনাল লিডস) সঞ্চালক হিসেবে নির্বাচিত করা হয়েছে। অর্থাৎ এখন থেকে যে কেউ সম্পাদনা কিংবা তথ্য যোগ করলে সেটি আঞ্চলিক দায়িত্বপ্রাপ্তর অনুমোদনের পরে প্রকাশ পাবে। পাশাপাশি আগের কয়েকটি সুবিধা বন্ধ করে দেয়া হয়েছে।

গুগল ম্যাপ এডিট খুব সহজ কাজ! ইন্টারনেট ব্যবহার করতে জানেন এমন কেউ আলাদা কোন প্রশিক্ষণ ছাড়াই গুগল ম্যাপে অবদান রাখতে পারবেন।
প্রথমে আপনার একটি জিমেইল একাউন্ট বা গুগল একাউন্ট লাগবে।

এবার গুগল ম্যাপ এডিট করতে এই লিংকে প্রবেশ করুন। Mapmaker
নতুন করে এড করতে চাইলে Add New এ click করেন,Add a Place এ click করে, নির্দিষ্ট স্থানে plag করে, Category select করেতে হবে,
Enter Name এ নির্দিষ্ট নাম দিতে হবে, এরপর Continue এ click করে, Add more name আরো নাম যুক্ত করতে পারবেন,
এরপর Save এ click করতে হবে।

রিজিওনাল লিডরা সবকিছু দেখে সম্মতি দিলেই ম্যাপে প্রকাশ পাবে ওই ফিচার।

আপনার চুলকে সুস্থ রাখবে এই ৮টি “ঘরোয়া” শ্যাম্পু


একের পর এক ব্র্যান্ডের শ্যাম্পু ব্যবহার করছেন কিন্তু কোনটিতেই ফল পাচ্ছেন না? জেনে রাখুন একদম ঘরোয়া উপায়ে এই ৮টি শ্যাম্পু তৈরির উপায়। রাসায়নিক শ্যাম্পু ব্যবহারে আপনার যতো ক্ষতি হচ্ছে, এসব প্রাকৃতিক শ্যাম্পু ব্যবহারে কমে যাবে সেই ক্ষতি। সুস্থ ঝলমলে চুল হয়ে উঠবে ভেতর থেকে সুন্দর।

১) বেকিং সোডা শ্যাম্পু:
এক টেবিল চামচ সোডার সাথে এক কাপ পানি মিশিয়ে সাধারণ শ্যাম্পুর মতো ব্যবহার করুন। চুলের ময়লা কমানো এবং ড্যানড্রাফ দূর করতে এটি কাজে লাগবে। তবে এই শ্যাম্পু কিছুদিন পর পর ব্যবহার করাই ভালো।

২) লেবু ও শসার শ্যাম্পু:
যাদের চুল শুষ্ক তাদের জন্য এই শ্যাম্পু খুবই কাজে আসবে। একটি লেবু ও একটি শসার খোসা ছিলে নিন। এগুলো ব্লেন্ড ক্লরে নিন ভালোমত। এরপর সাধারণ শ্যাম্পুর মতো ব্যবহার করুন। চুলে কিছু লেবুর অংশ লেগে থাকতে পারে। চুল শুকিয়ে যাবার পর চিরুনি চালিয়ে এগুলো পরিষ্কার করে ফেলুন।

৩) কর্ন স্টার্চ শ্যাম্পু:
এই শ্যাম্পু চুল ঘন করতে সাহায্য করবে। এক কাপ পানিতে এক টেবিল চামচ বেকিং সোডা গুলে নিন। এরপর এতে কর্ন স্টার্চ বা কর্ন ফ্লাওয়ার যোগ করুন যতক্ষণ না তা শ্যাম্পুর মতো ঘন হয়। এরপর সাধারণ শ্যাম্পুর মতো ব্যবহার করুন।

৪) অ্যাপল সিডার শ্যাম্পু:
এক কাপ বেবি শ্যাম্পুর সাথে যোগ করুন দুই টেবিল চামচ অ্যাপল সিডার ভিনেগার। এর সাথে সিকি কাপ পানি যোগ করুন। যোগ করতে পারেন এক টেবিল চামচ টি ট্রি অয়েল। ব্যবহার করুন সাধারণ শ্যাম্পুর মতো। শুধু শ্যাম্পুই নয়, এটি কন্ডিশনারেরও কাজ করবে।

৫) নারিকেল শ্যাম্পু:
চুলের জন্য নারিকেলের দুধ খুবই ভালো। পৌনে এক কাপ বেবি শ্যাম্পুর সাথে যোগ করুন সিকি কাপ নারিকেল দুধ। এর সাথে যোগ করতে পারেন এক টেবিল চামচ আমন্ড অয়েল এবং দশ ফোঁটা আপনার প্রিয় যে কোন এসেনশিয়াল অয়েল। ব্যবহার করুন সাধারণ শ্যাম্পুর মতো।

৬) তেলের শ্যাম্পু:
কী, নাম শুনেই খটকা লাগছে ? কোথায় তেল আর কোথায় শ্যাম্পু! যাদের মাথার ত্বক শুষ্ক তাদের জন্য কিন্তু এটা দারুণ উপকারী! সিকি কাপ পানির সাথে যোগ করুন সিকি কাপ বেবি শ্যাম্পু। এর মাঝে যোগ করুন আধা টেবিল চামচ ভেজিটেবল তেল।

৭) হার্বাল শ্যাম্পু:
এর জন্য আপনার দরকার হবে দুই টেবিল চামচ শুকানো ভেষজ, যেমন ক্যামোমাইল, ল্যাভেন্ডার অথবা রোজমেরি। এটাকে আধা কাপ পানিতে ফুটিয়ে নিন। ২০ মিনিট ঠাণ্ডা হতে দিন। এরপর এতে যোগ করুন দুই টেবিল চামচ গ্লিসারিন এবং আধা কাপ বেবি শ্যাম্পু। এরপর একে শ্যাম্পুর মতো ব্যবহার করতে পারেন।

৮) মাখন শ্যাম্পু:
কোঁকড়া চুলের মেয়েদের জন্য এই শ্যাম্পুটি খুব কাজের। একটি বাটিতে মিশিয়ে নিন দুই টেবিল চামচ অ্যালো ভেরা জেল, দুই চা চামচ নারিকেল তেল এবং দুই টেবিল চামচ মাখন। সাধারণ শ্যাম্পুর মতোই ব্যবহার করুন একেও।

ফেসবুকে চালু হতে যাচ্ছে প্রোফাইল ভিডিও ফিচার!


ফেসবুক হতে যাচ্ছে আরো জীবন্ত! বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় এই যোগাযোগ মাধ্যম জানাল ব্যবহারকারীদের প্রোফাইলে তারা নতুন একটি ফিচার যোগ করতে যাচ্ছে এবং তা হচ্ছে প্রোফাইল ভিডিও।

এর মাধ্যমে ফেসবুক ব্যবহারকারীরা স্থির চিত্রের বদলে এখন থেকে আপলোড করতে পারবে ৭ সেকেন্ডের একটি ভিডিও। প্রযুক্তি বিষয়ক ওয়েবসাইট ম্যাশেবল জানিয়েছে এ খবর।
তবে প্রথমেই সবাই এই অভিনব ফিচারটি উপভোগ করতে পারবেন না। প্রথমদিন এই সুবিধাটি উন্মুক্ত করা হচ্ছে শুধু ক্যালিফোর্নিয়ার আইফোন ইউজারদের জন্য। এরপর আস্তে আস্তে সারা বিশ্বে এটি পৌঁছানো শুরু করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ফেসবুক বলছে কোনো আইডির প্রোফাইল একটি একান্ত ব্যক্তিগত ব্যাপার। তাই নিজের ব্যক্তিত্বকে আরো জীবন্ত ও সুন্দরভাবে তুলে ধরতে এই ফিচার বেশ উপকারে আসবে।
তবে সবসময় প্রোফাইল ভিডিও চলতে থাকবে না। ভিডিও লুপ করবে শুধু যদি প্রোফাইল পেজে ঢোকা হয় তাহলে। অর্থাৎ নিজের প্রোফাইলে ঢুকলে কিংবা অন্য কারো প্রোফাইলে ক্লিক করলে ভিডিওটি দেখা যাবে। নিউজফিডে স্ট্যাটাসের পাশে কিংবা অন্য কোনো জায়গায় ছোট আকারে ভিডিও দেখা যাবে না। এ ছাড়া ভিডিওর সাথে অডিও শোনা যাবে শুধু ভিডিওতে ক্লিক করে ফুল-ভিউ মোড অন করা হলে। প্রোফাইলে ঢুকলে শুধু ভিডিও চলতে দেখা যাবে,তবে কোনো আওয়াজ পাওয়া যাবে না।

কিছুদিন আগে ফেসবুক ঘোষণা করেছিল ‘সাময়িক প্রোফাইল পিকচারের’ কথা, যে ফিচারের মাধ্যমে নির্দিষ্ট কিছু দিন বা ঘণ্টার জন্য কোনো বিশেষ প্রোফাইল পিকচার দেওয়া যাবে। নির্দিষ্ট সময় শেষ হয়ে এলে পুরনো প্রোফাইল পিকচার আবার ফিরে আসবে। তবে ধারণা করা হচ্ছে টাইমলাইন আসার পর প্রোফাইল ভিডিওই হতে যাচ্ছে ফেসবুক প্রোফাইলে সবচেয়ে বড় পরিবর্তন!

এ ছাড়া ফিচারটির মাধ্যমে সাত মিনিট দৈর্ঘ্যের সেলফি ভিডিও ধারণ করে তা আপলোড করা যাবে। তবে এখন ভিডিও আপলোডের জন্য আকারে কোনো বাধা নেই। আপলোড করা ভিডিও ফেসবুক নিজে থেকেই বর্গাকারে ক্রপ করে ফেসবুক প্রোফাইলের জায়গায় সেট করে নেয়।
আর ফিচারটি যার প্রোফাইলে পৌঁছাবে, পৌঁছানোর সাথে সাথে তার অ্যাকাউন্টের ওপর একটি টিউটোরিয়াল দিয়ে দেওয়া হবে, যাতে থাকবে প্রোফাইল ভিডিও ব্যবহার করার সব নিয়মাবলি।

রূপচর্চায় লেবুর খোসার অবাক করা অজানা সব ব্যবহার!

লেবুর খোসা দিয়ে কি কাজ করতে পারেন আপনি ? অনেকের লেবুর খোসা খাওয়ার অভ্যাস থাকলেও বেশীরভাগ মানুষই লেবুর খোসা ফেলে দেন। কিন্তু এই ফেলনা লেবুর খোসা দিয়েই আপনি নানা সমস্যার সমাধান করে ফেলতে পারবেন চোখের পলকে। বিশ্বাস হচ্ছে না? আজ তাহলে জেনে নিন লেবুর খোসার অজানা দারুণ সব ব্যবহার যা অবাক করবে আপনাকে।

১) ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করতে
ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করতে লেবুর খোসার জুড়ি নেই। লেবুর খোসায় একটু চিনি মেখে তা দিয়ে ত্বক স্ক্রাব করুন। এটি প্রাকৃতিক স্ক্রাবার হিসেবে কাজ করবে। এবং লেবুর ব্লিচিং ইফেক্ট ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়াবে।

২) নখের হলদেটে ভাব দূর করতে
দীর্ঘদিন নখে নেলপলিশ লাগিয়ে রাখলে নখে হলদেটে ভাব চলে আসে। এই সমস্যা সমাধানে লেবুর খোসা দিয়ে নখ ভালো করে ঘষে নিন, হলদেটে ভাব দ্রুতই কেটে যাবে।

৩) ত্বকের কালো দাগ দূর করতে
ব্রণের দাগ কিংবা ত্বকের যে কোনো ধরণের কালো দাগ দূর করতে পারেন খুবই সহজে। শুধুমাত্র লেবুর খোসার ব্যবহার করে। প্রতি রাতে মুখ ভালো করে পরিষ্কার করে নিয়ে দাগের ওপর লেবুর খোসা ঘষে নিন এবং ১ ঘণ্টা পর মুখ ঠাণ্ডা পানিতে ধুয়ে ফেলুন। দ্রুতই দাগ দূর হয়ে যাবে।

৪) টোনার হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন
প্রাকৃতিক টোনার হিসেবে অনায়াসেই ব্যবহার করতে পারেন লেবুর খোসা। পরিষ্কার মুখের ওপর লেবুর খোসা আলতো ম্যাসাজ করে নিন। এরপর ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। ব্যস, দারুণ কাজে দেবে।

৫) ব্রণের ঔষধ হিসেবে
লেবুর খোসা খুবই ভালো ব্রণ প্রতিরোধক হিসেবে কাজ করে। বিশেষ করে টিনএজের ত্বকের ব্রণের উপদ্রব দূর করতে এর জুড়ি নেই। লেবুর খোসায় মধু লাগিয়ে তা দিয়ে ত্বকে ম্যাসাজ করলেই অনেক ভালো উপকার পাওয়া সম্ভব।

৬) কনুই ও হাঁটুর কালচে দাগ ও শক্ত ভাব দূর করতে
অনেকেরই কনুই এবং হাঁটুতে কালচে দাগ থাকে এবং চামড়া হয়ে যায় শক্ত। এই সমস্যা সমাধানে প্রতিদিন লেবুর খোসা ঘষে নিন। কিছুদিনের মধ্যেই দাগ দূর হবে এবং নরম কোমল হয় উঠবে চামড়ার শক্ত ভাব।

৭) পায়ের যত্নে
প্রতিরাতে ঘরে ফিরে এসে একটু পায়ের যত্নে কাজ না করলে পায়ের অবস্থা দিনকে দিন খারাপ হতেই থাকে। তাই প্রতিদিন বেশী কিছু নয় লেবুর খোসা পানিতে ফুটিয়ে তা কুসুম গরম করে নিয়ে পা ডুবিয়ে রাখুন ১০- ১৫ মিনিট। ব্যস, পায়ের যত্ন হয়ে গেলো।

সতর্কতা:
- অনেকের ত্বকে লেবুতে অ্যালার্জি হয়, তাই ত্বকে সরাসরি ব্যবহারের আগে জেনে নিন অ্যালার্জি আছে কি না।
- ত্বকে লেবুর রস দিয়ে সূর্যের আলোতে গেলে ত্বক পুড়ে যায় তাই ত্বকে লেবুর খোসা ব্যবহার করবেন রাতের বেলা।

সূত্র: healthdigezt

বাংলালিংক “বই ঘরে” বিনামূল্যে বই পড়ার সুযোগ করে দিল!







বাংলাদেশে এই প্রথম বাংলালিংক চালু করল “বই ঘর” একটি অ্যান্ড্রয়েড ভিত্তিক মোবাইল বাংলা ই-বুক অ্যাপ। এই অ্যাপ এর সাহায্যে গ্রাহকরা যেকোনো সময়ে বিনামূল্যে তাদের মোবাইল ফোনে নতুন নতুন বাংলা বই ডাউনলোড করে পড়তে পারবেন। এই অনন্য ডিজিটাল পদক্ষেপের মাধ্যমে বাংলা বইয়ের এক বিশাল সম্ভার চলে এল বাংলালিংক গ্রাহকদের হাতের মুঠোয়।

দেশের একমাত্র স্বয়ংসম্পূর্ন মোবাইল বাংলা ই-বুক গ্রন্থাগার হিসেবে গড়ে ওঠার লক্ষ্যে বাংলালিংক “বই ঘর” অ্যাপ এর সংগ্রহে থাকছে বাংলা সাহিত্যের জনপ্রিয় সব আধুনিক ও ক্লাসিক বই। এছাড়াও গ্রাহকদের জন্য বৈচিত্র্য আনতে এখানে নিত্যনতুন বই এর সংগ্রহ বেড়ে চলবে প্রতিদিন।

এই অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপটি ডাউনলোড করতে গ্রাহকগন গুগল প্লে স্টোরে গিয়ে “বই ঘর” লিখে সার্চ করতে পারেন অথবা ৭০৫০ নাম্বারে ‘START BM’ লিখে এসএমএস এর মাধ্যমে ডাউনলোড করতে পারেন। অ্যাপ ডাউনলোডের জন্য দৈনিক ২.৩৭ টাকা সাবস্ক্রিপশন চার্জ প্রযোজ্য হবে।

বাংলালিংক এর ভ্যাস এন্ড ডেটা জেনারেল ম্যানেজার, মার্কেটিং, জিয়াউল হক সিকদার বলেন, ‘এই বিশেষ অ্যাপটি চালু করতে পেরে আমরা গর্বিত। আমরা বিশ্বাস করি, আমাদের ইতিহাস, ঐতিহ্য এবং সভ্যতাকে আমাদের সংরক্ষণ করা উচিত। যদি এই কাজগুলোকে আমরা ডিজিটালাইজড না করি তবে ইতিহাসের পাতায় এগুলোর হারিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এই অ্যাাপ এর মাধ্যমে বিশেষকরে আমাদের তরুণ প্রজন্ম ঐতিহ্যবাহী এবং নতুন সকল বই সম্পর্কে জানতে পারবে এবং বই পড়ার অভ্যাসটা অনুশীলন করতে পারবে।

চুলের আগা ফাটা সমস্যকে চিরতরে বিদায় দিন ঘরোয়া ৫ উপায়ে

চুলের যে সম্যসাটায় বেশিরভাগ মেয়েরা ভুগে থাকেন তা হল চুলের আগা ফাটা। লম্বা চুল যাদের তারা তো বটেই ছোট চুল যাদের তাদেরকেও এই সম্যসায় পড়তে হয়। চুলের আগা ফেটে দুইভাগ হয়ে থাকে, এতে চুল লম্বা কম হয়। চুল হয়ে যায় রুক্ষ ও মলিন। চুলের এই আগা ফাটা রোধ করা যায় ঘরোয়া কিছু উপায়ে। আসুন তাহলে জেনে নেওয়া যাক জাদুকরী সে উপায়গুলো।

১। ডিমের হেয়ার মাস্ক:
১টি ডিমের সাদা, ২/৩ টেবিলচামচ অলিভ অয়েল, ১ টেবিলচামচ মধু। ডিমের সাদা অংশ ফেটে নিন, এবার তার সাথে অলিভ অয়েল, মধু মিশিয়ে প্যাক তৈরি করে নিন। চুলে ভাল করে লাগান। ৩০ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন। এরপর শ্যাম্পু করে চুল ধুয়ে ফেলুন।
এছাড়া ডিমের সাদা অংশের সাথে বাদাম তেল মিশিয়ে চুলে লাগাতে পারেন। ২০ থেকে ৩০ মিনিট পর ধুয়ে শ্যাম্পু করে ফেলুন। ডিমে আছে প্রোটিন এবং ফ্যাটি এসিড যা চুলের আগা ফাটা রোধ করতে সাহায্য করে।

২। হট অয়েল ডিপ কন্ডিশনার:
হট অয়েল ডিপ কন্ডিশনার চুলের ময়েশ্চারাইজ ধরে রাখে। যা চুলের আগাকে ফাটা রোধ করে। অলিভ অয়েল , নারকেল তেল, বাদাম তেল বা ক্যাস্টর অয়েল মিশিয়ে ২০ মিনিট গরম করুন। এবার এটি চুলে এবং মাথার তালুতে ভাল করে ম্যাসাজ করুন। ৪৫ মিনিট পর চুল শ্যাম্পু করে ফেলুন। সপ্তাহে এক থেকে দুইবার এটি করুন।

৩। কলার প্যাক :
কলাতে আছে পটাশিয়াম, জিঙ্ক, আয়রন, ভিটামিন সি, এ এবং ই যা চুলের ময়েশ্চারাইজ ধরে রাখে এবং আগা ফাটা রোধ করে। ১টা পাকা কলা , ২ টেবিলচামচ টকদই, সামান্য গোলাপ জল, লেবুর রস দিয়ে প্যাক তৈরি করে নিন। এবার প্যাকটি চুলে ভাল করে লাগান। এক ঘন্টার পর চুল শ্যাম্পু করে ফেলুন। ভাল ফল পাওয়ার জন্য সপ্তাহে দুইবার করুন।

৪। পেঁপের প্যাক:
পেঁপেতে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন আছে যা চুলের পুষ্টি যোগাতে সাহায্য করে। এটি চুলের আগা ফাটা রোধ করার পাশাপাশি চুলকে মসৃণ ও নরম করে থাকে। টক দই ও পেঁপের পেষ্ট মিশিয়ে প্যাক তৈরি করে নিন। এটি ভালভাবে চুলে লাগান। ৩০ মিনিট পর চুল শ্যাম্পু করে ফেলুন। কমপক্ষে সপ্তাহে দুইবার করুন।

৫। মধু:
মধু হল প্রাকৃতিক ময়েশ্চারাইজার যা রুক্ষ নিষ্প্রাণ চুলকে কর তোলে ঝলমলে প্রাণবন্ত। ৪ কাপ গরম পানিতে ২ টেবিল চামচ মধু মিশিয়ে নিন। এবার চুল শ্যাম্পু করার পর এই পানি দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলুন। কিছুক্ষণ রাখার পর পানি দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে একবার করুন দেখবেন চুলের আগা ফাটা একদম কমে গেছে।

আপনার বাংলালিংক সিমকে পুনরায় নিবন্ধন করে নিন অনলাইনের মাধ্যমে

সারাদেশে চলছে সিম নিবন্ধন কার্যক্রম,সকল পতিষ্ঠানের সিম সঠিক ভাবে নিবন্ধন করতে হবে। তা না হলে সকল পতিষ্ঠানের অনিবন্ধিত সিম বাতিল করা হবে বলে জানিয়েছেন টেলিযোগাযোগ কমিশন।

এরই মধ্যে বাংলািলংক তাদের সিম অনলাইন পুনরায় নিবন্ধন প্রক্রিয়া চালু করেছে।
তাই আপনার সিমটি নিবন্ধন করুন, তা না হলে আপনার সিমটি বাতিল হয়ে যেতে পারে!

নিবন্ধন করতে যা প্রয়োজন:
-সাধারন তথ্য
-একটি ছবি
-জাতীয় আইডি কার্টের কপি


নিবন্ধন করতে এই লিংকে প্রবেশ করুন,সেখানে নম্বর বসানোর একটি খালি ঘর থাকবে সেখানে আপনার যে নম্বরটি নিবন্ধন করবেন সেটা বসান এবং নিচের ঘরে তার উপরের ছবির মত দেখানো যে কোড থাকবে তা সঠিক ভাবে পুরন করে next বাটনে ক্লিক করুন।
এবার একটি কোড চাইবে সেটা আপনার নম্বরে একটি মেসেজ আসবে তার মধ্যে একটি কোড থাকবে সেটা ঐ ঘরে বসান।

তারপরে একটি পেজ আসবে সেখানে আপনার তথ্য সঠিক ভাবে পুরন করে সাবমিট করুন।
তাহলে আপনার সিমটি নিবন্ধিত হবে।

নোট: আপনার নম্বরে যে কোড টি আসবে তা কারো সাথে শেয়ার করবেন না। তাহলে আপনার নম্বর টি অন্য কেউ তার নিজের নামে নিবন্ধন করে নিতে পারে। 

কোনো সমস্য হলে মন্তব্য করে জানাবেন সমাধান করার চেস্টা করবো।

মাত্র ১ টি উপায়ে দূর করুন অতিরিক্ত চুল পড়ার যন্ত্রণা!


চুলের অন্যান্য সমস্যার চাইতে বেশী সমস্যা হচ্ছে অতিরিক্ত চুল পড়া। কারণ রুক্ষ শুষ্ক চুলও মেনে নেয়া যায় কিন্তু অতিরিক্ত চুল পড়ে মাথা প্রায় খালি হয়ে যাওয়ার ব্যাপারটি কেউ মেনে নিতে পারেন না। বিশেষ করে নারীরা। কিন্তু এই নিয়ে আরও যতো দুশ্চিন্তা করবেন ততো বেশী করে চুল পড়তে থাকবে। এর চাইতে ঘরেই দারুণ একটি উপায়ে দূর করে দিন চুল পড়ার যন্ত্রণা চিরকালের জন্য। অবাক হচ্ছেন? অবাক হলেও এটি বেশ কার্যকরী। ব্যবহার করেই দেখুন। বেশ উপকার পেয়ে যাবেন কিছুদিনের মধ্যেই।

যা যা লাগবে:
- দেড় কাপ আলুর রস
- ১ চা চামচ মধু
- সামান্য পানি
- ১ টি ডিমের কুসুম

পদ্ধতি ও ব্যবহারবিধি:
- পরিষ্কার চুলে এই পদ্ধতিটি ব্যবহার করতে চেষ্টা করবেন। অর্থাৎ আগের দিন চুল পরিষ্কার করে নিয়ে পরের দিন ব্যবহার করতে পারেন এই হেয়ার প্যাকটি।
- একটি বাটিতে সকল উপকরণ পরিমাণ মতো নিয়ে ভালো করে মিশিয়ে মসৃণ মিশ্রণ তৈরি করে ফেলুন। লক্ষ্য রাখবেন যেনো সম্পূর্ণ ভালো করে মিশে যায় সবকিছু।
- এরপর চুল একটু ভিজিয়ে নিয়ে এই প্যাকটি পুরো চুলে লাগান, বিশেষ করে মাথার ত্বকে, চুলের গোঁড়ায়। এরপর ৩০ মিনিট এভাবেই রাখুন।
- ৩০ মিনিট পর চুল খুব ভালো করে ধুয়ে নিন এবং ফ্যানের বাতাসে চুল শুকান। সপ্তাহে মাত্র ১ দিন ব্যবহার করুন। কয়েক মাসের মধ্যেই চুল পড়া একেবারেই বন্ধ হয়ে যাবে।
কার্যকারণ:
আলুতে রয়েছে ভিটামিন এ, বি ও সি এবং ক্যালসিয়াম, সোডিয়াম, আয়রন এবং ফসফরাস যা চুলের বৃদ্ধি এবং চুলের অতিরিক্ত রুক্ষতা যার কারণে চুল পড়ে এবং ভেঙে যায় তা প্রতিরোধে সহায়তা করে থাকে। মধু এবং ডিমের কুসুম চুলের কোলাজেন টিস্যুর সুরক্ষায় কাজ করে যার ফলে চুলের অকালপক্বতা এবং ঝরে পড়া প্রতিরোধ করে।

সূত্র:thefitindian

সিম নিবন্ধন নিয়ে বিভ্রান্তি!

সিম নিবন্ধন নিয়ে বিভ্রান্তি!
দেশের প্রায় ১৩ কোটি মোবাইল সিমকার্ড পুনরায় নিবন্ধন করতে হবে কিনা এই নিয়ে সৃষ্টি হয়েছে বিভ্রান্তি। রোববার টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের এক বৈঠকে সব সিম নিবন্ধন করার কথা বলা হলেও সোমবার বিটিআরসির চেয়ারম্যান জানিয়েছেন শুধুমাত্র নিবন্ধনহীন সিমগুলোর রি-রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। এদিকে আজ মঙ্গলবার মোবাইলে টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম জানিয়েছেন সব সিমেরই নিবন্ধন করতে হবে।

গত রোববার ডাক , তার ও টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিমের সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও গোয়েন্দা সংস্থার কর্মকর্তাদের বৈঠকে সিম নিবন্ধনের এ সিদ্ধান্ত হয়। দু-এক দিনের মধ্যে এ-সম্পর্কিত নির্দেশনা সংশ্লিষ্ট সব দপ্তর ও মোবাইল অপারেটরদের কাছে পাঠানো হবে বলে মন্ত্রণালয় সূত্র জানিয়েছে। তবে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) চেয়ারম্যান সুনীল কান্তি বোস গতকাল সোমবার বলেন, সিম নিবন্ধন একটি চলমান প্রক্রিয়া। তাই যেসব গ্রাহকের নিবন্ধন নেই বা নিবন্ধনের ক্ষেত্রে সমস্যা রয়েছে, তাঁদের আবারও নিবন্ধন করতে হবে। সবাইকে নয়। তবে মন্ত্রণালয় চাইলে বিটিআরসি সেভাবে কাজ করবে। এদিকে মঙ্গলবার তারানা হালিম জানিয়েছেন, অনেক গ্রাহক আগে নিবন্ধন করেছেন। কিন্তু সেসব নিবন্ধনের তথ্য যাচাই করা হয়নি। তাই সবাইকে নতুন করে নিবন্ধন করতে হবে।

এ বিষয়ে জানতে আজ সকালে বিটিআরসির সচিব মো. সারওয়ার আলমের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, "সিম নিবন্ধন নিয়ে কোন নির্দেশনা এসেছে কিনা তা আমার জানা নেই। আসলে তো নিশ্চয় জানতে পারবো। তবে দুপুরের পর ফোন করলে সঠিক তথ্য জানাতে পারবো।" তবে দুপুরের পিরে ফোন করলেও তিনি কল রিসিভ না করে কেটে দেন। একই বিষয়ে জানতে টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. ফয়জুর রহমান চৌধুরীর সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে তাঁর নাম্বার বন্ধ পাওয়া যায়। আর টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তার সাথে যোগাযোগ করা হলেও তিনিও কল রিসিভ করেননি।

প্রসঙ্গত, এর আগে ২০০৮ ও ২০১০ সালে অপারেটরদের চিঠি দিয়ে সিম নিবন্ধন নিশ্চিত করার নির্দেশ দেয় নিয়ন্ত্রক সংস্থা। এর মধ্যে ২০০৮ সালে দেওয়া নির্দেশনায় বিক্রি করা অনিবন্ধিত সিম পাওয়া গেলে ওই অপারেটরকে সিমপ্রতি ৫০ ডলার জরিমানা করার সিদ্ধান্ত হয়।

২০১২ সালের এপ্রিলে মোবাইল ফোন সংযোগ কেনার সময় জাতীয় পরিচয়পত্র প্রদর্শন বাধ্যতামূলক করে বিটিআরসি। সিম নিবন্ধন বিষয়ে বিটিআরসির দেওয়া নির্দেশনায় বলা হয়, অসম্পূর্ণ বা ত্রুটিপূর্ণ গ্রাহক নিবন্ধন তথ্যের জন্য সংশ্লিষ্ট মোবাইল ফোন অপারেটর দায়ী থাকবে। নির্বাচন কমিশনের জাতীয় পরিচয়পত্রের ডেটাবেইস ব্যবহার উপযোগী না হওয়া পর্যন্ত ম্যানুয়াল ব্যবস্থায় এসব তথ্য যাচাই করে গ্রাহকের পরিচয় নিশ্চিত করতে হবে। পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার পর সংযোগ চালু করতে হবে তাদের। ২০১৪ সালের ১ এপ্রিল হাইকোর্ট নিবন্ধন ছাড়া বিক্রি করা সিম কার্ড অবিলম্বে বন্ধ করার নির্দেশ দেন।

বিটিআরসির হিসাবে জুলাই মাস পর্যন্ত দেশে মোবাইল ফোনের গ্রাহকসংখ্যা ১২ কোটি ৮৭ লাখ ৬৯ হাজার। মোবাইল ফোন অপারেটরদের বৈশ্বিক সংগঠন জিএসএমএর (গ্রুপ স্পেশাল মোবাইল অ্যাসোসিয়েশন ) তথ্য অনুযায়ী বাংলাদেশে ইউনিক বা একক মোবাইল ফোন ব্যবহারকারীর সংখ্যা ৬ কোটি ৭০ লাখ। এখানে এক ব্যক্তির একাধিক সিম কার্ড থাকলেও তাঁকে একক ব্যবহারকারী হিসেবেই গণ্য করা হয়েছে।

ওজন কমাতে ও বিষণ্ণতা দূর করতে সাহায্য করবে যে ১০টি খাবার

ওজন কমানোর সাথে মানসিক অবস্থার একটি জোরালো সম্পর্ক রয়েছে। যদি দেহের ওজন কমাতে চান তাহলে তবে এর মূল চাবিকাঠি হচ্ছে নিজেকে যতটুকু সম্ভব দুর্ভাবনাহীন রাখা। কারন যখনই নিরুদ্বেগ অবস্থায় থাকবেন তখন যেকোনো কাজই নিশ্চিত ভাবে করতে পারবেন। তবে এই ব্যাপারটা লক্ষণীয় ভাবে দেখা গেছে যে যখনই কেউ ওজন কমাতে মনস্থির করে কিন্তু মানসিক অবস্থা চাপের মাঝে থাকে তাহলে ওজন না কমে বাড়তে শুরু করে। 

এর কারণ কী?
এর কারণ হচ্ছে পরিপূর্ণ ভাবে শিথিল হতে না পারায় তার ওজন কমানোর খাদ্য তালিকাও ব্যর্থ হয়। যখনি কেউ বিষণ্ণতায় ভোগেন তখন সে বেশি খাওয়া শুরু করে এবং সেটা তার খাবারের প্রতি আসক্তি বাড়িয়ে দেয়। এর সবচেয়ে বড় এবং মূল কারন হচ্ছে কর্টিসল নামক হরমোনের নিঃসরণ। কারন দেহ যতো বেশি মানসিক চাপের মধ্য দিয়ে অতিক্রম করে তখন এই কর্টিসল হরমোন তত বেশি নিঃসৃত হয়। এতে খাবার ইচ্ছেটাও বেড়ে যায় এবং সেই সাথে ওজন ও বৃদ্ধি পায়। আমাদের দেহে এই কর্টিসল হরমোনের অতিরিক্ত নিঃসরণের সবচেয়ে খারাপ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হচ্ছে ক্ষুধা বেড়ে যাওয়া কারন মানসিক চাপ সামাল দেয়ার জন্য অতিরিক্ত শক্তির প্রয়োজন। অনেকেই চান না খেয়ে ওজন কমাতে। কিন্তু না খেয়ে থাকাও যে কারো স্বাস্থ্যের জন্য বিপদজনক। এর ফলে কর্টিসল সরাসরি ওজন বৃদ্ধি করে এবং তখন তা হিপ বা অন্য কোথাও না জমে পেটে গিয়ে জমা হয়। যা হৃদরোগ এবং স্ট্রোকের ঝুঁকিও বাড়িয়ে দেয়।
সারাদিনের কাজের শেষে পরিশ্রান্ত অবস্থায় ক্ষুধা মেটাতে গিয়ে দেখা যায় তাৎক্ষণিকভাবে অস্বাস্থ্যকর খাবার অনেক বেশি পরিমানে খেয়ে ফেলা হয়। এভাবে বেশি খাওয়া কোনোভাবেই অনুমোদিত নয়। তাই পরিশ্রান্ত অবস্থায় দেহকে শিথিল করার জন্য প্রয়োজন স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়া। অস্বাস্থ্যকর খাবার হয়তো কিছু সময়ের জন্য সাময়িকভাবে তৃপ্তিদায়ক হলেও পরবর্তীতে এগুলো অনুশোচনাবোধ, বিষণ্ণতা এবং মনঃপীড়ার কারন হয়ে দাড়ায়। তাই মানসিক চাপ দূর করতে সাহায্য করে এমন কিছু খাবারের কথা এখানে উল্লেখ করা হলো যেগুলো খেলে মানসিক চাপ কমে এবং সেই সাথে ওজন বৃদ্ধিও হ্রাস পাবে।

১) স্যামন বা এই ধরনের সামুদ্রিক মাছ:
এসব সামুদ্রিক মাছে থাকে ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড যা মানসিক অবস্থা ভাল করার সাথে যুক্ত। তাই গরু বা খাসীর মাংস না খেয়ে স্যামন বা এই ধরনের সামুদ্রিক মাছ গুলো খান।

২) পালংশাক:
উচ্চ মাত্রার ম্যাগনেসিয়াম সমৃদ্ধ এই পালং শাক। যদি প্রতিদিনের খাবারে এই গুরুত্বপূর্ণ খনিজ পদার্থটি কম খাওয়া হয় তাহলে ক্লান্ত ও খিটখিটে অর্থাৎ মানসিক অবস্থার উপর প্রভাব ফেলবে। এছাড়া এই শাক ভিটামিন এ, বি, সি এবং আয়রনের চমৎকার উৎস। সেই সাথে এতে থাকা প্রোটিন দেহের শক্তির মাত্রা বৃদ্ধি করে। একটি গবেষণায় জানা যায় যে পালংশাক মিষ্টি জাতীয় খাবার এবং অতিরিক্ত লবনের খাবার ইচ্ছা কমিয়ে ওজন কমাতে সাহায্য করে।

৩) টুনা মাছ:
এই মাছটি আমাদের দেশে খুব সহজলভ্য না হলেও পাওয়া যায়। ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড সমৃদ্ধ এই মাছটি দিয়ে লাল আটার পাউরুটির স্যান্ডউইচ তৈরি করে খেলে তা মন মেজাজ ভাল রাখতে সাহায্য করে। এই খাবারটি মানসিক অবস্থা ভাল করার হরমোন সেরেটোনিন নিঃসরণ করতে সাহায্য করে। ভুষিসহ এসব শস্য জাতীয় খাবার অনেকক্ষণ পেট ভরা থাকার অনুভুতি দেয় ফলে অতিরিক্ত খাওয়া থেকে নিজেকে দূরে রাখা যায়।

৪) ব্লুবেরি:
ব্লুবেরির বেগুনি রঙটা আসে অ্যান্থোসিয়ানিন নামক একটি উপাদান থেকে যার রয়েছে মেজাজ ভালো করে দেয়ার ক্ষমতা। এই ফলটি পানি এবং খাদ্য আঁশে ভরপুর যা খেলে অনেকক্ষণ পেট ভরা থাকে যার ফলে ওজন ও কমবে।

৫) ডার্ক চকলেট:
এক আউন্স পরিমান ডার্ক চকলেটই মন মেজাজ ভালো করে দেয়ার জন্য এবং স্বাস্থ্যের উপকারিতা পাওয়ার জন্য যথেষ্ট। ডার্ক চকলেটে থাকা পলিফেনল মানসিক অবস্থা ভাল করে। এছাড়া এটা রক্তচাপ কমাতেও সাহায্য করে। কমলা বা মালটা- ভিটামিন সিতে ভরপুর টক জাতীয় ফলে থাকে প্রচুর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যা দ্রুত মানসিক চাপ কমাতে সাহায্য করে। আর মানসিক অবস্থা ভালো থাকলে খাবার খাওয়ার মাঝেও নিয়ন্ত্রণ আনা সম্ভব খুব সহজেই।

৬) সেলারি:
সেলারিতে এমন একটি উপাদান আছে যা রক্তে স্ট্রেস হরমোনের ঘনত্ব কমাতে সাহায্য করে এবং সংকীর্ণ রক্তনালীকে শিথিল করতে সাহায্য করে।

৭) গ্রিক দই:
দই খাওয়ার পর তা মস্তিষ্কে ডোপামিন এবং নোরিপাইনেফ্রিন নামক দুইটি রাসায়নিক উপাদান নিঃসরণ করে যা মানসিক অবস্থা ভাল করতে সাহায্য করে। এটি সচেতনতা এবং শক্তির মাত্রাও বৃদ্ধি করে। ক্রিম জাতীয় দুধের তৈরি খাবার ওজন কমাতেও সাহায্য করে। ১৮ আউন্স গ্রিক দই নিয়মিত খেলে তা ওজন কমায়।

৮) চেরি টমেটো:
এই ফলটি উচ্চ লাইকোপিন সমৃদ্ধ যা বিষণ্ণতা এবং অলসতার সাথে সম্পর্কিত উপাদানের উৎপাদনকে ধীর করে। এই ফলটি কম ক্যালরিযুক্ত তাই ওজন কমানোর ক্ষেত্রে বেশ কার্যকর।

৯) রোজমেরি:
এটি একটি সুগন্ধি ভেষজ উদ্ভিদ। অনেক খাবারেই এটা ব্যবহার করা হয়। এটি রক্তের প্রবাহ বাড়ায় এবং প্রদাহ বিরোধী হিসেবে কাজ করে সেই সাথে স্মৃতিশক্তি উন্নত করতে সাহায্য করে।

১০) তিসিবীজ:
এটি ওজন কমাতে সহায়ক একটি খাবার।আস্ত তিসিবীজের চেয়ে গুঁড়ো খাওয়া হজমের জন্য ভালো। লিগনানের চমৎকার একটি উৎস এই তিসিবীজে থাকা উদ্ভিদ ইস্ট্রোজেন বিক্ষিপ্ত মেজাজ ভাল করতে এবং অতিরিক্ত খাওয়া কমাতে সাহায্য করে।


লেখিকা শওকত আরা সাঈদা(লোপা)
জনস্বাস্থ্য পুষ্টিবিদ
এক্স ডায়েটিশিয়ান,পারসোনা হেল্থ
খাদ্য ও পুষ্টিবিজ্ঞান(স্নাতকোত্তর)(এমপিএইচ)
মেলাক্কা সিটি, মালয়েশিয়া

খুশকির সমস্যায় ভুগছেন? জেনে নিন ত্বক বিশেষজ্ঞের পরামর্শ

শীতকাল হোক বা গরমকাল, খুশকির সম্যসা যে কোন সময় দেখা দিতে পারে। চুল পড়ার অন্যতম একটি কারণ হল এই খুশকি। এই খুশকি সম্পর্কে না জেনে আমরা কত কিছু না ব্যবহার করে থাকি। খুশকির কারণ এবং এর প্রতিকার সম্পর্কে কথা বলেছেন "বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়" হাসপাতাল হতে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ও বর্তমানে ধানমণ্ডির নাজিনূর হাসপাতালে কর্মরত ত্বক বিশেষজ্ঞ নার্গিস সুলতানা।

“মাথার ত্বকের ছত্রাক সংক্রমণজনিত কারণে মূলত খুশকির উদ্ভব হয়ে থাকে” খুশকির কারণ সম্পর্কে বলেন ত্বক বিশেষজ্ঞ নার্গিস সুলতানা। এছাড়া চুল সঠিকভাবে না আঁচড়ালে, শুষ্ক ত্বকের অধিকারীরা, মাথার ত্বক অপরিষ্কার থাকলে, নিয়মিত তেল না দিলে ইত্যাদি কারণে চুলে খুশকি হতে পারে।
খুশকি দূর করার জন্য ত্বক বিশেষজ্ঞ নার্গিস সুলতানা কিছু পরামর্শ দিয়েছেন।

১। নিয়ম করে মাথায় তেল মালিশ করতে হবে। তেলটা হালকা গরম করে নিলে ভাল হয়। শ্যাম্পু করার আগের রাতে বা ১ ঘন্টা আগে মাথায় তেল লাগাতে পারেন।

২। এরপর গরম পানিতে তোয়ালে ডুবিয়ে পানি ঝরিয়ে নিয়ে মাথায় পেঁচিয়ে রাখুন কিছুক্ষণ। এটি খুশকি নরম করে দিবে। তারপর চিকন দাঁতের চিরুনি দিয়ে চুল আঁচড়ান। এতে মাথার ত্বকের খুশকি নরম হয়ে যায়। পরে শ্যাম্পু করে ফেললে খুশকি দূর হয়ে যাবে।

৩। টক দই ও সমপরিমাণ পানি একসঙ্গে মিশিয়ে চুলে লাগাতে পারেন। প্যাকটি ৩০ থেকে ৬০ মিনিটের রেখে চুল ধুয়ে ফেলুন। তারপর শ্যাম্পু করে নিন।

৪। বাজারে প্রচলিত শ্যাম্পু ব্যবহার না করে খুশকি দূর করার জন্য কিছু শ্যাম্পু পাওয়া যায় যেমন: ডানসিল, সেবো প্লাস ইত্যাদি সেগুলো ব্যবহার করার পরামর্শ দেন।

৫। চুলে শ্যাম্পুর পর প্রাকৃতিক কন্ডিশনার ব্যবহার করলে উপকার পাবেন। প্রাকৃতিক কন্ডিশনার হিসেবে চায়ের লিকার ব্যবহার করতে পারেন।

৬। চুল বড় হোক কিংবা ছোট, খুশকি থেকে বাঁচতে চাইলে তা কখনোই ভেজা অবস্থায় আঁচড়ানো যাবে না।

৭। যারা প্রতিদিন বাসার বাইরে বের হন তারা প্রতিদিন চুলে শ্যাম্পু করার চেষ্টা করবেন। না হলে বাইরের ধুলা বালি মাথার ত্বকে জমে থেকে খুশকির সৃষ্টি করে থাকে।

৮। চুল শুকাতে সম্ভব হলে হেয়ার ড্রায়ার ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকুন। কারণ এর অতিরিক্ত ব্যবহারে চুল শুষ্ক ও রুক্ষ হয়ে যেতে পারে।

৯। চুলের জট ছাড়াতে মোটা দাঁতের চিরুনি ব্যবহার করুন। এটি চুলের জট ছাড়ানোর সাথে সাথে মাথার ত্বকে রক্ত চলাচল সচল রাখে।

১০। চুল সব সময় পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখুন। নিয়মিত ভালো ব্র্যান্ডের শ্যাম্পু ব্যবহার করুন।

পরামর্শ দিয়েছেন:
নার্গিস সুলতানা
ত্বক বিশেষজ্ঞ
নাজিনূর হাসপাতাল

জেনে নিন ব্লগিং করে আয়ের ৪টি উপায় !



অনলাইন আয়ের অন্যতম জনপ্রিয় একটি ক্ষেত্রে হয়ে দাঁড়িয়েছে ব্লগিং! ব্লগিং করে মিলিয়ন মিলিয়ন ডলার আয় করছেন বিশ্বের সেরা প্রফেশনাল ব্লগাররা। তাহলে আপনি পারবেন না কেন? অবশ্যই পারবেন! আর হ্যাঁ, তবে এক্ষেত্রে আপনাকে অবশ্যই হতে হবে প্রফেশনাল ব্লগার। প্রফেশনাল ব্লগার হতে হবে শুনেই হতাশ? হ্যাঁ, আমি জানি। আমাদের এটাই এক বড় বদ অভ্যাস। বাস্তবায়নযোগ্য স্বপ্ন দেখতেও আমরা ভয় পাই। প্রফেশনাল ব্লগার আপনি নিশ্চয়ই এক রাতে হবেন না? প্রফেশনাল ব্লগার হতে আপনাকে হতে হবে আত্মবিশ্বাসী। আর নেশার মতো ব্লগিং করতে হবে বছরের পর বছর। তবেই আপনিও ব্লগিং করে হতে পারবেন মিলিনিয়ন মিলিয়ন ডলারের মালিক!

জেনে নিন ব্লগিং করে আয়ের ৪টি উপায়













এ তো গেল মিলিয়ন ডলারের কথা! এবার আসি বাস্তব কথায়! বাংলাদেশে ব্লগিং এখনও সেই পর্যায়ে যায়নি। তাই বাংলা ব্লগিং -এ মিলিয়ন ডলার আয়ের কথা ঠিক এই মুহূর্তে ভাবলে পাগলের প্রলাপের সামিলই হবে! কিন্তু বাংলা ব্লগিং যাত্রা কেবল শুরু করেছে। আমরা আশা করছি আগামী কয়েক বছর পরে ব্লগিং জগতে বাংলা ব্লগিংও সম্মানিত আসন পাবে। আমাদের দেশের এখন ব্লগারদের অধিকাংশ শ্রেনীই ইংরেজী ব্লগিং -এর সাথে জড়িত। কারণ কি জানতে চান? আয়, আয় এবং আয়। জি, ব্লগিং করে আয় সম্ভব বলেই আমরা আজ নিজের ভাষার ব্লগিং ছেড়ে ইংরেজী ব্লগিং এর পথে। আমি এর বিরোধিতা করছিনা। তবে আশা করছি আমরা ইংরেজী ব্লগিং এর পাশাপাশি দেশের স্বার্থে বাংলা কন্টেন্ট সমৃদ্ধ করতে বাংলা ব্লগিং করব। 

যারা ইতিমধ্যে প্রফেশনাল ব্লগিং -এ আছেন। তাঁরা সবাই ব্লগিং করে আয় সম্পর্কে অবগত। কিন্তু নবীন ব্লগারদের অনেক আগ্রহ ব্লগিং থেকে আয়ের প্রতি। তাদের কৌতুহল মেটাতে আজ লিখছি ব্লগিং করে আয়ের কৌশলসমূহ। আর ব্লগিং করে আয়ের এই পথগুলো মূলত ইংরেজী ব্লগিং কে ভিত্তি করেই লেখা। কারণটা ইতিমধ্যেই বলেছি। বাংলা ব্লগিং এখনও সেরকম পর্যায়ে যায়নি। তবে চলুন জেনে নেই, কি কি পথে একজন ব্লগার আয় করে থাকেনঃ 


ব্লগে বিজ্ঞাপন প্রদর্শন করে আয়

ব্লগে বিজ্ঞাপন প্রদর্শন করে আয়
ব্লগিং করে আয়ের কথা ভাবলে এটি হবে আপনার প্রথম পথ। ব্লগ থেকে আয়ের প্রধান উৎসটি হলোই বিজ্ঞাপন। আপনার ব্লগে যথেষ্ট পরিমাণ ভিজিটরস আছে? তাহলে অ্যাডসেন্স, বিডভারটাইজার, রেভিনিউ হিটস, ইনফোলিংকস, ক্লিকসর, চিটিকার মতো অনেক অ্যাড কোম্পানির মাধ্যমে আপনি আপনার ব্লগে বিজ্ঞাপন প্রদর্শন করিয়ে আয় করতে পারেন। এছাড়া অ্যাড কোম্পানিগুলো ছাড়াও আপনি সরাসরি বিজ্ঞাপন দাতাদের কাছেও ব্লগে অ্যাড স্পেস ভাড়া দিয়ে আয় করতে পারেন। বাংলা ব্লগিং -এ যদি বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে আয়ের কথা বলি। তবে উল্লেখযোগ্য উদাহরন হবে টেকটিউনস। আপনারা জানেন টেকটিউনস সর্ববৃহৎ টেকনোলোজি বাংলা ব্লগ। যেখানে অসংখ্য বিজ্ঞাপন প্রদর্শনের মাধ্যমে টেকটিউনস আয় করে থাকে। আশা করি, ব্লগে বিজ্ঞাপন দেখিয়ে আয়ের ব্যাপারটি পরিষ্কার। আমিও একজন বাংলা ব্লগার হিসেবে আমার ব্লগে কিছু বিজ্ঞাপন প্রদর্শনের মাধ্যমে মোটামুটি ভালো পরিমাণ আয় করে থাকি।

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করে আয়

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করে আয়
অনলাইন আয়ের বিশাল এক ক্ষেত্র অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং। অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং আলাদা একটি ক্ষেত্র হলেও ব্লগিং -এর সাথে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং সম্পর্কিত। নবীনদের কাছে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং নতুন কোন শব্দ। তাই অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে নিবেন। এক কথায় আমি আপনাকে বলতে পারি, কোন প্রতিষ্ঠানের পন্য কমিশনের বিনিময়ে অনলাইনে বিক্রি করিয়ে দেয়াই হলো অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং বলে। এখন প্রশ্ন, ব্লগিং এর সাথে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং এর সম্পর্কটা কি? ধরুন, আপনার সফটওয়্যার বিষয়ক কোন ব্লগটি আছে। সেখানে যথেষ্ট ভিজিটরসও আছে। তাহলে আপনি কোন সফটওয়্যার কোম্পানির প্রিমিয়াম সফটওয়্যার কমিশনের মাধ্যমে অনলাইনে সেল করার চুক্তি করলেন। আর সে মোতাবেক, আপনার ব্লগটিতে ঐ অ্যাফিলিয়েট প্রোডাক্টটি সেল করার জন্য পোস্ট লিখলেন অথবা বিজ্ঞাপন দিলেন। আর সেখান থেকে যে পরিমাণ সেল হবে সে অনুযায়ী চুক্তি মোতাবেক কমিশন আপনি পেয়ে যাবেন। আর এটাই হলো অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং। বর্তমানে, ব্লগ থেকে আয়ের জন্য সবচেয়ে জনপ্রিয় ক্ষেত্র হিসেবে পরিণত হয়েছে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং।

স্পন্সরড পোস্টের মাধ্যমে আয়

স্পন্সরড পোস্টের মাধ্যমে আয়

আপনি যদি একজন প্রফেশনাল ব্লগার হয়ে থাকেন এবং আপনার ব্লগটি জনপ্রিয় একটি ব্লগ হয়ে থাকে। তাহলে স্পন্সরড পোস্টও হতে পারে আপনার স্মার্ট আয়ের অন্যতম একটি মাধ্যম। স্পন্সরড পোস্ট সম্পর্কে অনেকেই জানেন না। তাদের জন্য বলি, আপনার ব্লগে কোন প্রতিষ্ঠান অর্থ পরিশোধের বিনিময়ে তাদের কোন পোস্ট প্রকাশ করলে সেটাকেই বলে স্পন্সরড পোস্ট। স্পন্সরড পোস্টকে পেইড পোস্টও বলা হয়ে থাকে। তবে জনপ্রিয় ব্লগগুলোতেই সাধারণত বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান স্পন্সরড পোস্ট দিতে আগ্রহী।

নিজস্ব সার্ভিস সেল করে আয়

নিজস্ব সার্ভিস সেল করে আয়

এটিও প্রফেশনাল ব্লগারদের আয়ের একটি মাধ্যম। ধরুন, আপনি একজন ওয়ার্ডপ্রেস এক্সপার্ট। ওয়ার্ডপ্রেসই হলো আপনার প্রেম, ভালোবাসা, ভালোলাগা সবকিছু। তাই ওয়ার্ডপ্রেস নিয়ে আপনি ব্লগিং করেন। আপনার ওয়ার্ডপ্রেস সংক্রান্ত টিউটোরিয়াল, টিপসে আপনার ভিজিটরসদের কাছে আপনি জনপ্রিয় হয়ে গেছেন। এরকম অবস্থায় আপনার সামনে নিজস্ব সার্ভিস সেল করে আয়ের রাস্তাটি খুলবে! তখন আপনি চাইলে আপনার ব্লগে ভিজিটরসদের কাছে ওয়ার্ডপ্রেস সংক্রান্ত বিভিন্ন সার্ভিস অফার করতে পারেন। যেগুলোর মাধ্যমে আপনি আয় করতে পারেন। আমিও আমার ব্লগের মাধ্যমে আমার দেয়া বিভিন্ন সেল করে থাকি।

ব্লগিং থেকে আয়ের সম্ভাবনা এবং শেষ কথা

ব্লগিং থেকে আয়ের সম্ভাবনা

বর্তমানে অনলাইন যুগের অন্যতম স্মার্ট এবং স্বাধীন পেশা হিসেবে দাঁড়িয়েছে 'ব্লগিং'। তাই এই প্রফেশনে ইনকামটাও অনেক স্মার্ট! আপনিও বেছে নিতে পারেন এই সময়োপযোগী অনলাইন পেশাটি এবং ক্যারিয়ার গড়তে পারেন ব্লগিং -এ। ব্লগিং করে রয়েছে আয়ের অপার সম্ভাবনা। তবে আপনাকে হতে হবে অনেক প্রফেশনাল একজন ব্লগার।


লেখকঃ মারুফ

যেনে নিন যেভাবে উইন্ডোজ ১০ স্টার্ট মেন্যুতে বিং সার্চ রেজাল্ট বন্ধ করবেন.



সম্প্রতি রিলিজ হওয়া উইন্ডোজ ১০ বেশ কৌতুহল সৃষ্টি করতে সক্ষম হয়েছে উইন্ডোজ ব্যবহারকারীদের মাঝে। আর সেই কারণে অনেকেই ইতোমধ্যে আপগ্রেড করে ফেলেছেন উইন্ডোজ ১০ অপারেটিং সিস্টেমে। নতুন এই অপারেটিং সিস্টেমের নতুন সব ফিচার এবং সে সংক্রান্ত টিউটোরিয়ালগুলো তুলে ধরবে প্রিয় টেক। আজ আমি শেয়ার করছি কিভাবে আপনি উইন্ডোজ ১০ অপারেটিং সিস্টেমে স্টার্ট মেন্যুতে বিং সার্চ রেজাল্ট বন্ধ করবেন।
যেভাবে উইন্ডোজ ১০ স্টার্ট মেন্যুতে বিং সার্চ রেজাল্ট বন্ধ করবেন

উইন্ডোজ ১০ ব্যবহারকারীরা খেয়াল করলে দেখবেন যে উইন্ডোজ ১০ এর স্টার্ট মেন্যুতে একটি বিশেষ ফিচার যোগ করা হয়েছে। আর তা হল স্টার্ট মেন্যুতে সার্চ রেজাল্টে বিং সার্চ ইঞ্জিনের আগমন। হ্যাঁ, উইন্ডোজ ১০ ব্যবহারকারীরা এখন স্টার্ট মেন্যুতে কোন কিছুর সন্ধান করলে কম্পিউটারে থাকা ফাইল এবং প্রোগ্রামগুলোর রেজাল্ট দেখানোর পাশাপাশি দেখতে পারবেন বিং সার্চ রেজাল্টও! অবশ্য এই নতুন ফিচার অনেকের কাছেই ভালো লাগার মতো। কিন্তু অনেকের কাছে তা বিরক্তির কারণও হয়ে ধরা দেয়। আর তাদের জন্যই আজকের টিউটোরিয়াল। আপনি চাইলেই সহজে এই বিং সার্চ রেজাল্ট দেখানো বন্ধ করতে পারবেন।


উইন্ডোজ ১০ স্টার্ট মেন্যুতে বিং সার্চ রেজাল্ট বন্ধ করার পদ্ধতি

  • স্টার্ট মেন্যুতে বিং সার্চ রেজাল্ট বন্ধের জন্য প্রথমেই আপনাকে ওপেন করতে হবে কর্টানা সার্চ সেটিংস। সহজেই কর্টানা সার্চ সেটিংস অপশনে যেতে স্টার্ট মেন্যুতে 'cortana settings' লিখেও সার্চ করতে পারেন।

যেভাবে উইন্ডোজ ১০ স্টার্ট মেন্যুতে বিং সার্চ রেজাল্ট বন্ধ করবেন

  • Cortana & Search settings অপশনে গিয়ে Cortana Can Give You Suggetions, Ideas, Reminders, Alerts and More লেখা অপশনটি Off করে দিন।
যেভাবে উইন্ডোজ ১০ স্টার্ট মেন্যুতে বিং সার্চ রেজাল্ট বন্ধ করবেন

  • এবার উক্ত অপশনটি বন্ধ করার পর তার একটু নিচেই পাবেন আরেকটি অপশন। যেখানে লেখা থাকবে "Search online and include web results"। এই অপশনটিও দ্বিতীয় ধাপটি সম্পন্ন করার পর অটোমেটিক বন্ধ হয়ে যাবে।

যেভাবে উইন্ডোজ ১০ স্টার্ট মেন্যুতে বিং সার্চ রেজাল্ট বন্ধ করবেন

যেভাবে উইন্ডোজ ১০ স্টার্ট মেন্যুতে বিং সার্চ রেজাল্ট বন্ধ করবেন

ব্যাস, তাতেই বন্ধ হয়ে যাবে বিং সার্চ রেজাল্ট। বিং সার্চ রেজাল্ট অপশনটি বন্ধের পর এখন আপনি স্টার্ট মেন্যুতে সার্চ করলে সার্চ রেজাল্ট শুধুমাত্র কম্পিউটারের অভ্যন্তরীন ফলাফলই শুধু প্রদর্শন করবে।


কিভাবে জিমেইল ইনবক্সে জমে থাকা সকল ই-মেইল ডিলেট করবেন এক ক্লিকে?



আমাদের অনেকের পুরোনো ইমেইল অ্যাকাউন্ট থাকে অনেক সময়। কিন্তু বহুদিন পর ইমেইল অ্যাকাউন্টে লগিন করে দেখলেন, ইনবক্সে জমে গেছে অপ্রয়োজনীয় হাজার হাজার ইমেইল? এখন এই মেইলগুলো মুছে ফেলতে চাচ্ছেন?? কিন্তু এতোগুলো ইমেইল ম্যানুয়ালি ডিলেট করা অসম্ভব! 
আমরা জানি, জিমেইল ইনবক্সে প্রত্যেক পেজে ৫০টির মতো ইমেইল থাকে। অর্থাৎ ডিলেট করতে হলে আপনাকে এখন প্রতি ক্লিকে এই ৫০টি করে ইমেইল ডিলেট করতে হবে। আর এভাবে যদি আপনি ডিলেট করতে থাকেন, তাহলে ভেবে দেখেছেন কি, কতক্ষণ সময় নস্ট হতে পারে আপনার মেইলে জমে থাকা এই ইমেইলগুলো ডিলেট করতে? চিন্তা নেই, আছে স্মার্ট সল্যুশন।
জিমেইল অ্যাকাউন্টের ইনবক্স থেকে সকল ই-মেইল এক ক্লিকে ডিলেট করার পদ্ধতি
আমি আজ আপনাদের সাথে সকল ইমেইল ডিলেট করার ট্রিকসটি ভিডিও টিউটোরিয়াল আকারে নিয়ে এসেছি। তাই আমার বাংলা ভিডিও টিউটোরিয়ালটি দেখলে আশা করি খুব সহজেই ট্রিকসটি বুঝবেন। তবুও, আপনাদের স্বার্থে সংক্ষেপে এবং এক নজরে ধাপগুলো নিচে উল্লেখ করছিঃ

আপনার জিমেইল অ্যাকাউন্ করুন। লগিন করার সময় একটি বিষয় আপনাকে অবশ্যই মনে রাখতে হবে। আমরা স্লো ইন্টারনেট ইউজাররা সাধারণত জিমেইল অ্যাকাউন্টটি Load Basic HTML অপশনে ওপেন করি। কিন্তু আজকের ট্রিকসটির জন্য আপনাকে অবশ্যই Standard Mode দিয়েই কাজ করতে হবে।

ইনবক্সে লগিন করার পর, লিখুন before:2015/07/01 এবং সার্চ বাটন ক্লিক করুন। এই উল্লেখিত কমান্ডটি নিয়ে ভাবছেন ? বুঝতে পারছেন না কমান্ডটি? 
before:2015/07
9/30 এই কমান্ডটিতে আপনারা দেখতে পাচ্ছেন 2015/09/30দারা একটি তারিখ বুঝানো হচ্ছে। এখানে লক্ষ্য করুন এই তারিখটি আজকের দিনের তারিখ। অর্থাৎ ২০১৫ সালের ১লা জুলাই। তাহলে তারিখটির ফরম্যাটটি বুঝে নিন। প্রথমে সাল, তারপর মাস এবং সবশেষে তারিখটি উল্লেখ হয়েছে। তাহলে পুরো কমান্ড থেকে আপনারা নিশ্চই অনুমান করতে পারছেন, before:2015/09/30দ্বারা আমরা ২০১৫ সালের ১লা জুলাই তারিখের আগের সকল ইমেইল সার্চ করতেছি। যেহেতু আমরা সকল ইমেইল ডিলেট করতে চাই। চাইলে আপনি আপনার ইচ্ছেমত তারিখ বসাতে পারেন। অর্থাৎ আপনি যদি কোন নির্দিষ্ট তারিখের আগের সকল মেইল মুছে ফেলতে চান তবে সঠিক ফরম্যাটে তারিখটি বসিয়ে দিন কমান্ডটিতে। আরও বিস্তারিত বুঝতে ভিডিও টিউটোয়ালটি অবশ্যই দেখবেন। জিমেইলের সিলেক্ট অল অপশনটি ক্লিক করুন । তাহলে একটি লেখা দেখতে পারবেন All 50 conversations on this page are selected. Select all conversations that match this search । অর্থাৎ মাত্র ৫০টি মেইল সিলেক্ট হয়েছে। কিন্তু আমাদের তো দরকার সকল মেইল ডিলেট করা। এজন্য Select all conversations that match this search লিঙ্কটা ক্লিক করুন এবং সবশেষে এই অবস্থায় ডিলেট আইকনটি ক্লিক করুন।

ব্যাস, সকল ইমেইল খতম! কিন্তু এক ইমেইল তো আপনার সামনেই তবু রয়ে গেছে! ঘাবরাবেন না , এবার Inbox - এ একটা ক্লিক মারেন শুধু! কি, ক্লিক মেরে ফেলেছেন? তাহলে তো কেল্লা ফতে হয়ে গেছে। এবার কি দেখতে পেলেন? সব যন্ত্রনার ইমেইল না ফেরার দেশে ফিরিয়ে দিয়েছেন? আপনিতো ভাবছেন সব ইমেইলকে না ফেরার দেশে ফিরিয়ে দিয়েছেন। কিন্তু না! সেগুলো ইনবক্স ফোল্ডার থেকে বিদায় নিলেও Trash ফোল্ডারে আছে। এটা প্রায় সকল জিমেইল ব্যবহারকারীর জানা। অর্থাৎ সিস্টেমটা অনেকটা কম্পিউটারের রিসাইকেল বিনের মতো। কোন কিছু ডিলেট করলে সেটি মূলত রিসাইকেল বিনে যায়। চাইলে রিসাইকেল বিন যেমন ফাঁকা করে ফেলা যায় তেমনি চাইলে আপনি আজাইরা ইমেইলগুলোকে Trash ফোল্ডারে গিয়ে Empty Trash Now ক্লিক করে ফাঁকা করে ফেলতে পারেন।

আপনি কি জানেন আপনার গুগল ক্রোম ব্রাউজারে রয়েছে লুকিয়ে থাকা একটি গেইম?

আপনি কি জানেন আপনার গুগল ক্রোম ব্রাউজারে রয়েছে লুকিয়ে থাকা একটি গেইম?

  আপনি যদি হয়ে থাকেন একজন গুগল ক্রোম ব্রাউজার ব্যবহারকারী। তবে আপনি শুনে আশ্চর্য হবেন যে, আপনার গুগল ক্রোম ওয়েব ব্রাউজারে রয়েছে লুকিয়ে থাকা একটি গেইম। অর্থাৎ গুগল ক্রোমে এই হাইড (Hide) থাকা গেইমটির সাথে অধিকাংশ ক্রোম ব্যবহারকারীই পরিচিত নন।


 আবার অনেকেই আবিষ্কার করে ফেলেছেন লুকিয়ে থাকা সেই মজার গেইমটি। এটি বড় ধরণের কোন গেইম না হলেও আমি নিশ্চিত বলতে পারি, হঠাত করে এই গেইমটি আবিষ্কার করে ফেললে আপনি অবশ্যই মজা পাবেন এবং আশ্চর্য হবেন! তো যারা এখনও সেই লুকানো গুগল ক্রোম গেইমটির সাথে পরিচিত হতে পারেন নি। তাদের সাথে আজ পরিচয় করিয়ে দিব ক্রোমের মজার গেইমটির।

ইন্টারনেট কানেকশন ছাড়াই কখনও যদি আপনি গুগল ক্রোম ব্রাউজারে কোন সাইট ব্রাউজ করার চেস্টা করে থাকেন। তবে অবশ্যই আপনি নিচের ইমেজের মতো দেখতে Error বার্তার সাথে পরিচিত আছেন? হ্যাঁ, ইন্টারনেট কানেকশন না পেলে গুগল ক্রোম সাধারণত এরকম একটি Error বার্তার পেজ এর ব্যবহারকারীর কাছে প্রদর্শন করে।

আর মজার ব্যাপার হলো, এই Error পেজেই লুকিয়ে থাকে অবাক করা সেই ছোট্ট গেইমটি! গেইমটির চমক পেতে প্রথমে আপনার ইন্টারনেট কানেকশন বন্ধ করে গুগল ক্রোম ব্রাউজার ওপেন করুন এবং যেকোন একটি ওয়েব সাইট ব্রাউজ করার চেস্টা করুন। এবার পাবেন সেই Error পেজটি। আর তারপর আপনার পিসির কি-বোর্ডের স্পেস বাটনটি চাপলেই পাবেন সেই মজার গেইমটি। এখন আর গেইমটির সাথে পরিচয় করিয়ে দেওয়ার কোন প্রয়োজন নেই। কারণ এই সাধারণ গেইমটির সাথে আমরা প্রায় সকলেই পরিচিত। গেইমট খেলতেও ব্যবহার করবেন কি-বোর্ডের স্পেস বাটন। গেইম স্ক্রিনে দেখতে পাবেন আপনার গেইম স্কোর এবং সর্বোচ্চ স্কোর।

শুধু পিসি ব্যবহারকারীদের জন্যই নয়! অ্যান্ড্রয়েড ফোনের ক্রোম ব্রাউজার ব্যবহারীরাও পাবেন এই গেইম। এজন্য আপনার অ্যান্ড্রয়েড ফোন ফ্লাইট মোড চালু করে ক্রোম ব্রাউজারে যেকোন সাইট ব্রাউজারের চেস্টা করুন। এতে আপনি পাবেন সেই এরর পেজটি। তবে এতে গেইম খেলার জন্য আপনাকে ফোনের স্ক্রিনে চাপ দিলেই হবে।
উল্লেখ্য যে, গুগল ক্রোমের এই অফলাইন গেইমটি জাভাস্ক্রিপ্ট কোড দিয়ে তৈরি করা হয়েছে।

লেখক: মারুফ